🕌 আলোর দিশা -ইসলামিক পোস্ট

Home

🕌হজরত খাদিজা(রা:) এর সম্পুন্ন জিবনি

Alordesha islamic banner Alordesha islamic banner Alordesha islamic banner Alordesha islamic banner Alordesha islamic banner

🕌হজরত খাদিজা (রা.)-এর পূর্ণাঙ্গ জীবনী

হজরত খাদিজা (রা)

হজরত খাদিজা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)ছিলেন ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রথম স্ত্রী এবং প্রথম ইসলাম গ্রহণকারী মহীয়সী নারী।তিনি তৎকালীন আরবের এক সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন এবং নিজের যোগ্যতা ও বুদ্ধিমত্তায় একজন অত্যন্ত সফল ও ধনাঢ্য ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

হজরত খাদিজা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) ছিলেন ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রথম স্ত্রী এবং প্রথম ইসলাম গ্রহণকারী মহীয়সী নারী। তিনি তৎকালীন আরবের এক সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন এবং নিজের যোগ্যতা ও বুদ্ধিমত্তায় একজন অত্যন্ত সফল ও ধনাঢ্য ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তাঁর জীবনের প্রধান দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো: জন্ম ও পরিচয়: তিনি আনুমানিক ৫৫৫ খ্রিষ্টাব্দে মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম ছিল খুওয়ায়লিদ ইবনে আসাদ এবং মায়ের নাম ফাতেমা বিনতে জায়েদ।

ব্যবসা ও বিবাহ: তিনি সিরিয়া পর্যন্ত ব্যবসা পরিচালনা করতেন। হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সততায় মুগ্ধ হয়ে তিনি তাঁকে নিজের ব্যবসায়িক প্রতিনিধি নিযুক্ত করেন এবং পরবর্তীতে বিবাহের প্রস্তাব দেন। বিবাহের সময় নবীজির বয়স ছিল ২৫ বছর এবং হজরত খাদিজার বয়স ছিল ৪০ বছর। ইসলাম গ্রহণ: নবীজি যখন হেরা গুহায় নবুওয়াত লাভ করেন তখন হজরত খাদিজাই তাঁকে আশ্বস্ত করেন এবং সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি তাঁর সমস্ত সম্পদ ইসলামের প্রচারে উৎসর্গ করেছিলেন।

সন্তানসন্ততি: হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও হজরত খাদিজার সংসারে বেশ কিছু সন্তান জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে পুত্রসন্তান কাসিম (যার নামানুসারেই নবীজির উপাধি ছিল আবুল কাসিম) এবং আবদুল্লাহ শৈশবেই মারা যান। তাঁদের চার কন্যা ছিলেন— জয়নব রুকাইয়া উম্মে কুলসুম এবং ফাতিমা (রা.)। মৃত্যু: তিনি নবুওয়াতের দশম বছরে (আনুমানিক ৬১৯-৬২০ খ্রিষ্টাব্দে) মক্কায় ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুর বছরটিকে ইসলামের ইতিহাসে ‘আমুল হুজন’ বা ‘দুঃখের বছর’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

তার জীবনের প্রধান দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

• জন্ম ও পরিচয়:তিনি আনুমানিক ৫৫৫ খ্রিস্টাব্দে মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম ছিল খুওয়াইলিদ ইবনে আসাদ এবং মায়ের নাম ফাতেমা বিনতে জায়েদ। তাঁর চারিত্রিক পবিত্রতার কারণে জাহেলি যুগেও তাঁকে'তাহেরা'(পবিত্রা) বলা হতো। • ব্যবসা ও বিবাহ:তিনি সিরিয়া পর্যন্ত ব্যবসা পরিচালনা করতেন। হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সততায় মুগ্ধ হয়ে তিনি তাঁকে নিজের ব্যবসায়িক প্রতিনিধি নিযুক্ত করেন এবং পরবর্তীতে বিবাহের প্রস্তাব দেন। বিবাহের সময় নবিজির বয়স ছিল ২৫ বছর এবং হজরত খাদিজার বয়স ছিল ৪০ বছর। • ইসলাম গ্রহণ:নবিজি যখন হেরা গুহায় নবুওয়াত লাভ করেন তখন হজরত খাদিজাই তাঁকে আশ্বস্ত করেন এবংসর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি তাঁর সমস্ত সম্পদ ইসলামের প্রচারে উৎসর্গ করেছিলেন। • সন্তানসন্ততি:হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও হজরত খাদিজার সংসারে বেশ কিছু সন্তান জন্মগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে পুত্রসন্তান কাসিম (যাঁর নামানুসারে নবিজির উপাধি ছিল আবুল কাসিম) এবং আবদুল্লাহ শৈশবেই মারা যান। তাঁদের চার কন্যা ছিলেন— জয়নব রুকাইয়া উম্মে কুলসুম এবং ফাতিমা (রা.)। • মৃত্যু:তিনি নবুওয়াতের দশম বছরে (আনুমানিক ৬১৯-৬২০ খ্রিস্টাব্দে) মক্কায় ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুর বছরটিকে ইসলামের ইতিহাসে 'আমুল হুজন' বা 'দুঃখের বছর' হিসেবে অভিহিত করা হয়।

নবিজি (সা.)-এর সন্তানদের ইসলাম গ্রহণ এবং তাঁদের পরবর্তী বংশধরদের বিস্তারিত তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো:

১. সন্তানদের ইসলাম গ্রহণ
নবিজি (সা.) যখন নবুওয়াত লাভ করেন তখন তাঁর চার কন্যাই জীবিত ছিলেন এবং তাঁরা সকলেই প্রথম দিকেই ইসলাম গ্রহণ করেন ।
• কন্যাগণ:জয়নব
রুকাইয়া
উম্মেকুলসুম
এবংফাতিমা (রা.)
তাঁদের মায়ের (হজরত খাদিজা ) সাথে প্রথম দিকেই ইমান আনেন ।
• পুত্রগণ:কাসিম এবংআবদুল্লাহ
শৈশবেই মারা গিয়েছিলেন। তবেইব্রাহিম (রা.) যখন জন্মগ্রহণ করেন তখন ইসলাম পূর্ণতা লাভ করেছিল এবং তিনি মুসলিম হিসেবেই গণ্য হন ।

২. পরবর্তী বংশধর ও বংশধারা নবিজি (সা.)-এর বংশধারা মূলত তাঁর কনিষ্ঠ কন্যাহজরত ফাতিমা (রা.) -এর মাধ্যমেই কিয়ামত পর্যন্ত জারি রয়েছে । • হজরত ফাতিমা (রা.) ওআলী (রা.) :তাঁদের ৫ জন সন্তান ছিল—হাসান হুসাইন মুহসিন (যিনি শৈশবে মারা যান)জয়নব এবংউম্মে কুলসুম ।বংশধর (হাসানি ও হুসাইনি):হজরত হাসান (রা.) এবংহজরত হুসাইন (রা.) -এর সন্তানদের মাধ্যমেই নবিজির বংশধারা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে । তাঁদের বংশধরদের সম্মানার্থে'সৈয়দ '(Sayyid) বা'শরীফ '(Sharif) উপাধি দেওয়া হয় । জর্ডানের বর্তমান রাজপরিবার নবিজির ৪২তম সরাসরি বংশধর হিসেবে পরিচিত । • হজরত জয়নব (রা.) ওআবুল আস :তাঁদের দুই সন্তান ছিল—আলী এবংউমামা পুত্রআলী শৈশবেই মারা যান। • কন্যাউমামা (রা.) বড় হয়েছিলেন এবংহজরত ফাতিমা (রা.) -এর মৃত্যুর পর তাঁর অসিয়ত অনুযায়ীহজরত আলী (রা.) তাঁকে বিয়ে করেন। তাঁদের ঘরেমুহাম্মদ আল-আওসাত নামে এক পুত্র ছিল। তবে তাঁর মাধ্যমে বংশধারাফাতিমা (রা.) -এর সন্তানদের মতো এত বিস্তৃত হয়নি। • হজরত রুকাইয়া (রা.) ও উসমান (রা.) :তাঁদের একমাত্র পুত্র ছিল আবদুল্লাহ যে মাত্র ৬ বছর বয়সে একটি দুর্ঘটনার পর মারা যায় । এরপর তাঁদের আর কোনো সন্তান ছিল না।
•• হজরত উম্মে কুলসুম (রা.)ওউসমান (রা.) :তাঁদের কোনো সন্তান হয়নি। সারসংক্ষেপ:নবিজি (সা.)-এর তিন পুত্রের কেউ প্রাপ্তবয়স্ক হননি এবং তিন কন্যার (জয়নব রুকাইয়া ওউম্মে কুলসুম ) বংশধারাও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। একমাত্রহজরত ফাতিমা (রা.) -এর মাধ্যমেই নবিজির রক্তধারা আজও পৃথিবীতে বিদ্যমান ।

বদর যুদ্ধে আবু জাহেলের করুণ মৃত্যু